পিচ-ইস্যুতে আইসিসির দরবারে যাবে ইংল্যান্ড?


প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ , ১১:৫২ পিএম
পিচ-ইস্যুতে আইসিসির দরবারে যাবে ইংল্যান্ড?

আহমেদাবাদের মোতেরায় দুই দিনেরও কম সময়ে টেস্ট হেরেছে ইংল্যান্ড। টেস্ট শেষ হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পিচ নিয়ে কম কথা হয়নি। তবে এবার এ নিয়ে আইসিসির দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছে দলটি, জানালেন কোচ ক্রিস সিলভারউড।

নবনির্মিত নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সময়টা ভালো কাটেনি ইংলিশদের। দুই ইনিংসে ২০ উইকেটের বিনিময়ে সাকুল্যে ১৯৩ রান তুলতে পেরেছে, যা ভারতের মাটিতে দলটির সর্বনিম্ন আর ১৯০৪ সালের পর দলটির দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান। প্রথম ইনিংসে কঠিন সময় পার করেছে ভারতও। ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট তার খণ্ডকালীন স্পিনেই ঘায়েল করেছেন পাঁচ ভারতীয় ব্যাটসম্যানকে।

দিবারাত্রির টেস্টে বল স্কিড করে বেশি, ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহৃত এসজি বলে পরিমাণটা বাড়ে আরও বেশি। সঙ্গে যখন যোগ হয় নিখাদ স্পিনিং উইকেট, তখন তা ব্যাটসম্যানদের বধ্যভূমি না হয়েই পারে না।

৩০ উইকেটের দুই তৃতীয়াংশ গেছে স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে, হয় বোল্ড নাহয় এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে। এভাবে স্পিনারদের প্রতি পিচের উদারতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটাই ইংল্যান্ডকে ভাবাচ্ছে। ইংল্যান্ড কোচ ক্রিস সিলভারউড জানালেন, এ নিয়ে আইসিসির দ্বারস্থ হওয়ার কথাও ভাবছে তার দল। বললেন, ‘পর্দার পেছনের অনেক কিছু নিয়ে আমরা কথা বলবো। একই সময়ে আমরা হতাশ, কারণ টেস্ট শেষ হওয়ার তিন দিন বাকি থাকতেই এখানে বসে কথা বলছি আমরা। আমি নিশ্চিত দর্শকরাও হতাশ। আমরা ম্যাচ রেফারি (জাভাগাল শ্রীনাথ) এর সঙ্গে কথা বলেছি, তবে সেটা পিচ নিয়ে নয়। জো আর আমি বসে কথা বলেছি, এ নিয়ে কোথায় যাওয়া যায় এ নিয়ে আলোচনা করেছি।’

পিচ নিয়ে এখনও দুই ধরনের কথা শোনা যাচ্ছে। জো রুটের ভাষ্য, ‘দর্শকরা আমাকে পাঁচ উইকেট শিকার করতে দেখেছে, অথচ বিষয়টা হওয়ার কথা ছিল পুরো উল্টো!’ ভারতীয় অধিনায়ক কোহলি দায়ী করেছেন দুই দলের বাজে ব্যাটিংকে।

ইংল্যান্ড কোচ অবশ্য এ দায় নিয়েছেন মাথা পেতে। বলেছেন, ‘এ ধরনের পিচে আমাদের আরও ভালো করা উচিত। এ কথাটা আমাদের মেনে নিতে হবে যে এমন অনেক জায়গাই আছে যেখানে আমাদের আরও উন্নতি করা প্রয়োজন। দেখুন, প্রথম ইনিংসে আমাদের সুযোগ ছিল ভালো রান করার। এরপর থেকে আমাদের এ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে। আর পিচ যেমনই করেছে বা করেনি, ভারত দিনশেষে আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে এখানে। কিন্তু এটা আমাদের খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের শেষ সীমায় নিয়ে গেছে।’