২০২১ সালে যেসব প্রযুক্তি আসবে


প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি ২০২১ , ০৮:৫৮ পিএম
২০২১ সালে যেসব প্রযুক্তি আসবে

২০২০ সালে প্রযুক্তিতে যেসব পরিবর্তন দেখা গেছে ২০২১ সালেও তা অব্যাহত থাকবে কিনা এটা সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ মহামারীর অর্থনৈতিক দুর্বলতা মারাত্মক আকার ধারণ করার ফলে বাজারে কিছু নতুন প্রযুক্তি আসবে। ২০২১ সালে যেসব নতুন প্রযুক্তি আসতে চলেছে সেসব সম্পর্কে চলুন জেনে নেয়া যাক-

১. আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স

গত এক দশক ধরে আর্টিফিশিয়াল ইনজেলিজেন্স একটি বহুল চর্চিত বিষয়। যন্ত্রের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজনের মাধ্যমে আগামী দিন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবে পৃথিবী। ইতোমধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআই নেভিগেশন অ্যাপ, স্মার্টফোনের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্টে ব্যবহৃত হচ্ছে।

২. রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন

রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন আরেকটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাজাত একটি প্রযুক্তি। এতে সফটওয়্যারের অ্যাপ্লিকেশন ডেটা তৈরি করা হবে। ফরেস্টার রিসার্চ সেন্টার জানিয়েছে, রোবোটিক অটোমেশন প্রযুক্তি বাজারে আসলে ২৩০ মিলিয়ন লোক চাকরি হারাবে।

৩. কম্পিউটিং

২০২১ সালে কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, মাইক্রোসফট আজুর ও গুগল ক্লাউড প্ল্যাটফরম প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটাবে।

৪. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং

কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে প্রযুক্তিতে বিশ্ব আরও এগিয়ে যাবে। বর্তমানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার স্প্লাঙ্ক, হানিওয়েল, মাইক্রোসিফট, এডব্লিউএস, গুগল এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছে। গবেষকদের অনুমান, ২০২৯ সালে বৈশ্বিকভাবে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বাজার থেকে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব ধরা হবে।

৫. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

আরেকটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রযুক্তি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের পাশাপাশি এটি ব্যবহৃত হবে। ২০২১ সালে এটি বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

৬. ফাইভ-জি

থ্রি-জি, ফোর-জি’র পর ফাইভ-জি প্রযুক্তি ২০২১ সালে বাজারে বিস্তার লাভ করবে। ফাইভ-জি প্রযুক্তি বাজারে এলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতে ফাইভ-জি ব্যাপক সাড়া ফেলবে। ২০২১ সালে ৩০টি দেশ এই প্রযুক্তির সেবা সরবরাহ করবে।

৭. সাইবার সিকিউরিটি

এটি তথ্যপ্রযুক্তির জগতকে আরও সমৃদ্ধ করবে। ২০২১ সালে সাইবার সিকিউরিটিতে ৬ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে। এছাড়া এই খাতে চাকরির বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে।

৮. ব্লকচেইনস

ক্রিপটোকারেন্সি মুভমেন্টের মাধ্যমে ব্লকচেইনের যাত্রা শুরু হয়। এটি তথ্যপ্রযুক্তিকে সমৃদ্ধির পথে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। গার্টনারের মতে, ২০৩৯ সালের মধ্যে ব্যবসায়-বাণিজ্য ব্লকচেইনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।