যেভাবে কমবে শিশু নির্যাতন

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০১৭ , ০৯:১০ পিএম
যেভাবে কমবে শিশু নির্যাতন

শিশু বলেই তাকে অবহেলা করবেন না। শিশুটি কী বলতে চায়, তা মন দিয়ে শুনুন। তার কথার গুরত্ব দিন। শিশুর কথা যুক্তিসঙ্গত হলে তার পক্ষ নিন। শিশু যাতে আপনাকে বিশ্বাস করতে পারে, বন্ধুর মতো সবকিছু খুলে বলতে পারে– সেটা নিশ্চিত করুন৷

আপনার শিশু যদি পরিবারের কাউকে বা আপনার কোনো বন্ধুকে হঠাৎ করে এড়িয়ে যেতে শুরু করে বা আপনাকে খুলে বলে সেই মানুষের কৃতকর্মের কথা, তবে সময় নষ্ট না করে শিশুটির পক্ষ নিন। তিরস্কার করে বাড়ি থেকে বের করে দিন ‘অসুস্থ’ লোকটিকে৷

শুধু বাড়িতেই নয়; যেহেতু বাচ্চারা দিনের বেশকিছু সময় স্কুলে কাটায়৷ তাই যৌন শিক্ষার ক্ষেত্রে স্কুলেরও বড় দায়িত্ব রয়েছে৷ কেননা স্কুলের মধ্যেও ঘটতে পারে শিশু নির্যাতনের ঘটনা৷ তাই স্কুল থেকে ফেরার পর বাচ্চা যদি অতিরিক্ত চুপচাপ থাকে, একা একা সময় কাটায় বা পড়াশোনা করতে না চায়, তাহলে ওর সঙ্গে কথা বলুন৷ জানতে চান কী হয়েছে, প্রয়োজনে স্কুল কর্তৃপক্ষকেও জানান৷

শিশুটি ছেলে বা মেয়ে যা-ই হোক না কেন; সমান গুরুত্ব দিন। কেননা আমাদের সমাজে ছোট থেকেই মেয়েদের সঙ্গে বেশি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়৷ মেয়ে হলেই হাতে একটা পুতুল আর ছেলে হলে ধরিয়ে দেওয়া হয় বল বা খেলনা পিস্তল৷ ছেলের পাতে যখন তুলে দেওয়া হয় মাছের বড় টুকরো, তখন মেয়েটির হয়তো একগ্লাস দুধও জোটে না৷

এমন বৈষম্য বন্ধ করুন৷ বাবা-মায়ের চোখে ছেলে-মেয়ে সমান। সেভাবেই বড় করুন তাদের৷ তা না হলে নারীর ক্ষমতায়ন হবে কীভাবে? কীভাবে কমবে শিশু নির্যাতন?